সূরা আল-ফাতিহা ১:১

سُورَةُ ٱلْفَاتِحَةِ · মাক্কী · আয়াত ১/৭

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

অনুবাদ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

বাংলা অনুবাদ: মুহিউদ্দীন খান।

অর্থ ও উপলব্ধি

শব্দশৈলী

হে প্রিয় পাঠক, আমরা যখন কুরআন মাজীদের প্রথম আয়াত, `بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ` (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম) নিয়ে গভীরভাবে ভাবি, তখন যেন আমাদের হৃদয় বিনয়, শ্রদ্ধা আর উন্মুক্ততা নিয়ে এর মুখোমুখি হয়। এটি কেবল কিছু শব্দ নয়, বরং আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পবিত্র বাণী, যা আমাদের আত্মাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার ক্ষমতা রাখে। এই আয়াতটি মূলত নির্দেশ করে যে, আমরা আল্লাহর নাম নিয়ে কুরআন পড়া শুরু করছি এবং তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করছি। `আল্লাহ` হচ্ছেন একমাত্র সত্তা, যিনি সত্যিকভাবে ইবাদতের যোগ্য। `আর-রাহমান` হচ্ছেন সেই সত্তা যাঁর রহমত সমস্ত সৃষ্টিকে আবৃত করে আছে, আর `আর-রাহীম` হচ্ছেন তিনি, যিনি বিশ্বাসীদের প্রতি বিশেষভাবে দয়ালু।

'বিসমিল্লাহ' শব্দের তাৎপর্য

`بِسْمِ ٱللَّهِ` (`বিসমিল্লাহ`) শব্দের গভীরে ডুব দিলে আমরা এর অসাধারণ বিন্যাস দেখতে পাই। এর শুরুতে একটি অব্যক্ত ক্রিয়া রয়েছে, যেমন "আমি শুরু করছি" বা "আমি পড়ছি"। তাফসীরের ইমাম ইবনে আশুর ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই ক্রিয়াটি ইচ্ছাকৃতভাবে বর্জন করা হয়েছে (যা আরবিতে `হাযফ` নামে পরিচিত)। এই বর্জন `ইজায` বা সংক্ষিপ্ততা নির্দেশ করে, যার ফলে `বাসমালা` (`Basmalah`) কেবল কুরআন তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং প্রতিটি ভালো কাজের সূচনায় প্রযোজ্য হয়। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমাদের প্রতিটি কাজ যেন আল্লাহর নামের বরকতে আবৃত থাকে।

শব্দের `ب` (বা) বর্ণটি `মুলাবাসাহ` বা সঙ্গ বোঝায়। এর অর্থ হলো, আমরা যা করছি, তা আল্লাহর নামের সাথে সংযুক্ত। আর `اسم` (ইসম, অর্থাৎ নাম) শব্দটি ব্যবহারের পেছনে একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। ইবনে আশুর উল্লেখ করেছেন যে, এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে কারণ আমাদের কাজের সাথে আল্লাহর সত্তার সরাসরি সংস্পর্শ সম্ভব নয়, কিন্তু তাঁর নামের বরকত ও পরিচয় আমাদের কাজকে মহিমান্বিত করতে পারে। এটি আমাদের কাজকে আল্লাহর একত্ববাদের সঙ্গে চিহ্নিত করে, যা মূর্তি পূজকদের বিভিন্ন দেব-দেবীর নাম নেওয়ার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আল্লাহর নামসমূহের গভীরতা

`আল্লাহ` নামটি আল্লাহর অনন্য সত্তাকে বোঝায়, যাঁর আর কোনো অংশীদার নেই। এই নাম আল্লাহর মহিমাকে (`আলমুল জালালাহ`) তুলে ধরে। এর সাথে `ٱلرَّحْمَٰنِ` (`আর-রাহমান`) এবং `ٱلرَّحِيمِ` (`আর-রাহীম`) নাম দুটির সংযুক্তি অত্যন্ত অর্থবহ। `আর-রাহমান` আল্লাহর ব্যাপক ও সার্বজনীন রহমতকে নির্দেশ করে, যা বিশ্বাসী-অবিশ্বাসীনির্বিশেষে সকল সৃষ্টির প্রতি বিস্তৃত। অন্যদিকে, `আর-রাহীম` তাঁর সেই বিশেষ দয়াকে বোঝায়, যা তিনি কেবল বিশ্বাসী বান্দাদের প্রতি বর্ষণ করেন এবং যা নিরবচ্ছিন্ন।

এই দুটি গুণের নাম একসাথে উল্লেখ করার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের জানিয়ে দিচ্ছেন যে, তাঁর সাহায্য চাওয়ার জন্য তিনিই একমাত্র প্রকৃত উপাস্য, এবং তাঁর প্রতিটি সাহায্য ও দয়া তাঁর অসীম রহমত থেকেই উৎসারিত। এটি আমাদের অন্তরে এই বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, আমরা যখন তাঁর নাম নিয়ে কোনো কাজ শুরু করি, তখন তাঁর সার্বজনীন এবং বিশেষ উভয় প্রকারের দয়া আমাদের সাথে থাকে। তাই, এই আয়াতের প্রতিটি শব্দই গভীর অর্থ বহন করে, যা আমাদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপকে আল্লাহর স্মরণে ও তাঁর রহমতের ছায়ায় নিয়ে আসার অনুপ্রেরণা যোগায়।

সূত্র: Ibn Ashur (al-Tahrir wa al-Tanwir), al-Razi (Mafatih al-Ghayb), al-Zamakhshari (al-Kashshaf), al-Jadwal fi I'rab al-Quran (Mahmud Safi)

কুরআনিক জগত

কুরআনুল কারিমের প্রতিটি সুরার শুরুতে, এমনকি জীবনের যেকোনো কাজ শুরু করার আগে আমরা এই পবিত্র বাক্যটি বলি: بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম)। এই বাক্যটি নিছক কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আল্লাহর সাথে সংযুক্ত করার একটি গভীর মাধ্যম। আসুন, এই আয়াতের তাৎপর্য নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করি।

তাৎপর্যপূর্ণ সূচনা

যখন এই আয়াতটি প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল, তখন এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দেওয়া একটি নির্দেশনা ছিল। ইমাম আত-তাবারি ব্যাখ্যা করেছেন যে আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবী মুহাম্মদ ﷺ-কে শিখিয়েছিলেন যেন তিনি তাঁর সকল কাজের শুরুতে আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ উল্লেখ করেন। এটি শুধু নবীর জন্যই নয়, বরং সকল সৃষ্টির জন্য একটি `সুন্নাহ` (অনুশীলন) বা জীবন পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই, আমরা যখন بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ বলি, তখন আমরা আসলে বলছি, "আমি আল্লাহর নামে শুরু করছি, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করছি।" এটি প্রতিটি কাজকে আল্লাহর অনুমতির অধীনে নিয়ে আসে এবং আমাদের ইচ্ছাকে তাঁর ইচ্ছার সাথে সংযুক্ত করে। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলেছিলেন: "হে মুহাম্মদ, আল্লাহর নাম স্মরণ করে পড়ুন, এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করে উঠুন ও বসুন।" এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে প্রতিটি কাজ, তা যতই ছোট হোক না কেন, আল্লাহর নির্দেশ ও স্মরণ দিয়েই শুরু করা উচিত।

আল্লাহর নামসমূহের গভীরতা

এই আয়াতে আল্লাহর তিনটি মহিমান্বিত নাম উল্লেখ করা হয়েছে:
* ٱللَّهِ (`Allah`): এটি আল্লাহর সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট নাম, যা কেবল তিনিই ধারণ করেন। এটি সেই সত্তার নাম যিনি এক ও অদ্বিতীয়, যার ইবাদত করা হয়। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, `আল্লাহ` অর্থ "যাঁর ইবাদত সকল সৃষ্টি করে।" এটি নির্দেশ করে যে এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা তাঁর ইবাদত করে, এবং তিনিই একমাত্র উপাসনার যোগ্য। তাঁর সত্তা ও গুণাবলীতে কোন অংশীদার নেই।
* ٱلرَّحْمَٰنِ (`Ar-Rahman`): এই নামটি আল্লাহর এমন এক রহমত বা দয়াকে বোঝায় যা ব্যাপক এবং সমস্ত সৃষ্টিকে আবৃত করে। ইমাম আত-তাবারি উল্লেখ করেন যে, `Ar-Rahman` তাঁর সেই দয়াকে বোঝায় যা দুনিয়াতে বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী নির্বিশেষে সকল সৃষ্টির জন্য প্রযোজ্য। রিজিক, সুস্থতা, বুদ্ধিমত্তা, বৃষ্টি, গাছপালা ইত্যাদি সকল নিআমত, যা আমরা আমাদের চারপাশে দেখি, তা আল্লাহর এই ব্যাপক দয়ারই প্রকাশ। এই দয়া কোনো শর্ত বা সীমাবদ্ধতা ছাড়াই সকল সৃষ্টির প্রতি প্রসারিত।
* ٱلرَّحِيمِ (`Ar-Rahim`): এই নামটি আল্লাহর এমন এক রহমত বা দয়াকে নির্দেশ করে যা বিশেষ এবং নির্দিষ্টভাবে তাঁর বিশ্বাসী বান্দাদের জন্য। আত-তাবারি বলেন, `Ar-Rahim` সেই দয়া যা বিশেষত মুমিনদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে প্রযোজ্য। দুনিয়াতে এই দয়া তাদের হিদায়াত, আল্লাহর আনুগত্য করার তাওফীক (`tawfiq` বা ঐশী সহায়তা), এবং পাপ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। আখিরাতে, এটি জান্নাতের অনন্ত সুখ ও মর্যাদারূপে তাদের জন্য নির্দিষ্ট।

জীবন ও সৃষ্টির প্রেক্ষাপট

এই নামগুলোর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে সমগ্র মহাবিশ্ব আল্লাহর সৃষ্টি এবং তাঁর দয়া ও করুণা দ্বারা পরিচালিত। `Ar-Rahman` হিসেবে তিনি সকলের প্রতি দয়ালু, এবং `Ar-Rahim` হিসেবে তিনি মুমিনদের প্রতি বিশেষভাবে মেহেরবান। যখন আমরা بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ বলি, তখন আমরা কেবল আল্লাহর নাম স্মরণ করি না, বরং তাঁর এই বিশাল দয়া ও একত্ববাদের স্বীকৃতি দেই। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা তাঁর দয়াতেই বেঁচে আছি এবং আমাদের প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাস তাঁরই অনুগ্রহ। এই আয়াত আমাদেরকে প্রতিটি কাজ শুরু করার আগে, সৃষ্টির এই বিশাল প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্মরণ করিয়ে দেয় এবং আল্লাহর উপর ভরসা করতে শেখায়।

সূত্র: al-Tabari (Jami al-Bayan), al-Razi (Mafatih al-Ghayb), Ibn Kathir, Ma'arif al-Quran (Mufti Shafi), Sayyid Qutb (Fi Zilal al-Quran)

জাগতিক আয়না

কুরআন তেলাওয়াত শুরু করার আগে আমরা প্রথম যে বরকতময় বাক্যটি উচ্চারণ করি, তা হলো `بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ` (`Bismillahir Rahmanir Raheem`)। এর সরল অর্থ হলো, "আমি আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।" এটি শুধু কুরআন নয়, বরং প্রতিটি কল্যাণকর কাজ শুরু করার একটি নির্দেশ, আল্লাহর কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার এবং তাঁর রহমত ও বরকতের কামনা করার একটি উপায়। এই আয়াতটি আমাদের জীবনে একটি গভীর প্রভাব ফেলে, যা আমাদের অন্তর, সম্পর্ক এবং বৃহত্তর সমাজের আয়নায় প্রতিফলিত হয়।

হৃদয়ের প্রস্তুতি

`بِسْمِ ٱللَّهِ` দিয়ে কোনো কাজ শুরু করা একজন মুমিনের অন্তরের গভীর বিশ্বাস ও আত্মসমর্পণের পরিচয় বহন করে। এটি একটি স্বীকারোক্তি যে, সমস্ত ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির উৎস একমাত্র আল্লাহ। তাসকিরুল কুরআনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি `اپنی بندگی کا اعتراف ہے اور اسی کے ساتھ اس کی کامیابی کی الٰہی ضمانت بھی` অর্থাৎ, এটি বান্দার দাসত্বের স্বীকারোক্তি এবং এর মাধ্যমে তার সাফল্যের ঐশী নিশ্চয়তাও রয়েছে। সাইয়িদ কুতুব যেমন বলেছেন, `اِقرَا بِاسمِ رَبِّکَ` (পড় তোমার রবের নামে) এই নির্দেশ পালন করে আমরা আল্লাহর অস্তিত্ব এবং সকল কিছুর মূল হিসেবে তাঁর অবস্থানকে স্বীকৃতি দিই। এটি আমাদেরকে নিজেদের সীমাবদ্ধতা এবং আল্লাহর উপর আমাদের পূর্ণ নির্ভরতা সম্পর্কে জ্ঞান দেয়। প্রতিটি নতুন শুরুতে এই বাক্যটি উচ্চারণ করা বিনয়, ভরসা এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

জীবন ও সমাজে এর প্রভাব

যখন প্রতিটি কাজ আল্লাহর নামে শুরু করা হয়, তখন তা কেবল ব্যক্তিগত ইবাদতের অংশ থাকে না, বরং এর প্রভাব আমাদের সম্পর্ক এবং বৃহত্তর সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। `الرَّحْمَٰنِ` (পরম করুণাময়) এবং `الرَّحِيمِ` (অসীম দয়ালু) এই দুটি নাম আল্লাহর ব্যাপক ও বিশেষ রহমতের পরিচয় বহন করে। এই গুণাবলী স্মরণ করা আমাদেরকেও জীবনের সকল ক্ষেত্রে দয়ালু, সহানুভূতিশীল এবং ন্যায়পরায়ণ হতে উৎসাহিত করে। ইসরার আহমদ সূরা আল-ফাতিহাকে "কুরআনের ভিত্তি" (`اساس القرآن`) বলে উল্লেখ করেছেন, যার মানে `بِسْمِ ٱللَّهِ` এই ভিত্তিরও মূল। একটি সমাজ যখন এই মূলনীতিতে দাঁড়িয়ে তার সকল কাজ শুরু করে, তখন তা আল্লাহর একত্ব, রহমত এবং ন্যায়বিচারের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। প্রতিটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সিদ্ধান্ত বা সামাজিক কাঠামো যখন আল্লাহর নামে শুরু হয়, তখন তার লক্ষ্য হয় সামগ্রিক কল্যাণ ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা।

জীবনের প্রতিটি শুরুর বার্তা

`بِسْمِ ٱللَّهِ` শুধুমাত্র কুরআন পাঠের জন্য নয়, জীবনের প্রতিটি নতুন পদক্ষেপ, চ্যালেঞ্জ বা প্রাপ্তির সাথে এর সম্পর্ক রয়েছে। এটি একটি নতুন যাত্রা শুরু করার সময় সাহস যোগায়, কঠিন সময়ে সান্ত্বনা দেয় এবং সাফল্যের মুহূর্তে কৃতজ্ঞতা স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সকল ভাল কাজ আল্লাহর নামে শুরু হওয়া উচিত, এবং তাঁর সীমাহীন রহমত (`الرَّحْمَٰنِ`) এবং বিশেষ দয়া (`الرَّحِيمِ`) আমাদের সকল প্রচেষ্টায় সঙ্গী। এটি এমন একটি আধ্যাত্মিক বার্তা, যা জীবনের প্রতিটি ধাপে আল্লাহর রহমত, নির্দেশনা এবং সাহায্যের দিকে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসে।

সূত্র: Israr Ahmad (Bayan ul Quran), Ibn al-Jawzi (Zad al-Masir), Sayyid Qutb (Fi Zilal al-Quran), al-Munir (Wahba al-Zuhayli), Tazkirul Quran

যেসব বিষয়ে এই আয়াত আলোচিত

এই আয়াতটি Maani-র ৩টি বিষয়ভিত্তিক স্টাডি গাইডে আলোচিত হয়েছে (গাইডগুলো ইংরেজিতে)।

কুরআনের সব বিষয় দেখুন

আয়াতটি নিয়ে চিন্তা করুন

Maani-তে আয়াতটি পাঁচটি লেন্সে ভাবুন: এর শব্দচয়ন, প্রেক্ষাপট, আপনার জীবনে এর অর্থ, কুরআনের অন্য আয়াতের সঙ্গে সংযোগ এবং এর শিক্ষা, ক্লাসিক তাফসীরের ভিত্তিতে।

Maani-তে এই আয়াত নিয়ে চিন্তা করুন